হে মহিমান্বিত পূর্বসূরীবৃন্দ, সময় এখন বাজার নিয়ন্ত্রিত।
উর্ধমুখী মানুষগুলো নিজেদের গুঁটিয়ে নিয়েছে,
তাদের প্রাত্যহিক আয়োজনে;
যথোপযুক্ত
নির্যাসে নিষিক্ত হতে -
তারা ব্যাস্ততা বাড়িয়ে দিয়েছে বহু মাত্রায়।

এখন নিখাদ কান্নার জন্য
সময়ের অভাব স্পষ্ট অনুভ’ত।
বাজার অর্থনীতির বিস্তৃত পরিসরে এরা
কতটুকু বিকোবে?
কত দরে? ক্রেতাই বা কে?
এত সব অমিমাংসিত প্রশ্নের উত্তর মেলাবে
ভারতীয় না পূর্ব ইউরোপের সমাজতন্ত্রমুক্ত দেশের
সোনালী চুলের মেয়েরা;
না অন্য কেউ, বাজার মোড়ল।

প্রচলিত পসরার বাজার মূল্য
এবং
আমার দুখিনি শব্দমালার রাজনৈতিক গুরুত্ব
সবই আলোচনার পর্যায়ে থাকছে,
দিনে, দুপুরে বা মধ্যরাতে,
অথচ
প্রচন্ড আত্মবরিতায় যাকে ছুঁতে দেইনি কাউকে
তার পাশে লাশ হয়ে পড়ে আছি।

যেহেতু অর্থনীতি নিয়ত দুর্বল,
অনাদিকাল ধরে বিপন্ন আমাদের জীবন এবং জীবিকা
সামান্য পশরা আর পান্তা জুটাতে-জুটাতে,
কেটে গেছে সোনালী দুপুর,
রোদ্রস্নাত নেত্রকোনার অথৈঃ পাথারের বিকেল গুলো।
হিসেবের দিনগুলো কেবলি প্রলম্বিত হচ্ছে,
মায়া বা কুহকের ঘোরে,
অজস্রো অক্ষরের পাশে অনেক কিছুই বেমানান
শুধুই বিক্ষিপ্ত পড়ে থাকা।
#
ফেব্রæয়ারী, ২০১২
ঢাকা