আকাশ রঙিন,পাখির কূজন,মানুষের কোলাহল।
এরি মাঝে একা আমি এক নীরব দর্শক।
এই সেদিনো আমার অধিকার ছিল আকাশ ছোবার,বাতাশকে আলিঙ্গন করার আর কোলাহলে মাতবার।
কোথাহতে জানি কী হলো,অধিকার তার আয়ুর পাট জলদি চুকিয়ে নিলো।
ওমা,আজো দেখি তুমি দিব্যি হেসে যাচ্ছ,এই কোলাহলকে নিজের করে নিচ্ছ।
এক সখী হারাবার বেদনায় আরেক সখীকে জড়িয়ে ধরছ।
তোমার হাত তো দেখি অমূল্য,বেদনাকে ছুয়ে দিয়ে তাকেও আনন্দ বানিয়ে দিচ্ছ।
আমি কেন তা পারি না?
আমার কোলাহল কেন আজ এত নিস্তব্ধ?
আমার সব শব্দ কেন আজ বাকরুদ্ধ?
আজ একা বসে অনুভব করি,আমার সব শব্দ,আনন্দ উচ্ছাস সবই যে তোমারি ছিল।
তুমি আজ নেই তাই,আমার শব্দ,আনন্দ উচ্ছাসেরাও তোমার সাথে আমার সৃতি হয়ে,
আমায় একলা করে চলে গেল।
কখনো কী তুমিও একা হবে?
তোমার জাদুর হাত যখন বেদনাকে আনন্দ বানাতে পারবে না,
তখন তুমি কী করবে?
যখন কোলাহল আর তোমায় আপন করে নিবে না তখন কী তুমি আবার আমার কাছে ফিরে আসবে?
তখন যদি আমার অভিমান তোমায় আপন করে না নেয়,
তখন তুমি কী করবে?
আমি কী চাই তা জানতে চাও?
আমি চাই আমার অভিমানেরাও তোমায় আদর করে জড়িয়ে ধরে আপন করে নিক।